জব্দকৃত আতশবাজি/Michigan Department of Licensing and Regulatory Affairs
ডেট্রয়েট, ২৭ জুন : মিশিগানে সম্প্রতি পরিচালিত একাধিক ধাপের যৌথ অভিযানে ১৭ হাজার পাউন্ডেরও বেশি অবৈধ আতশবাজি ও বিস্ফোরক জব্দ করেছে রাজ্যের কর্তৃপক্ষ।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মিশিগান ডিপার্টমেন্ট অব লাইসেন্সিং অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স (LARA)-এর ব্যুরো অব ফায়ার সার্ভিসেস (BFS) এবং স্টেট ফায়ার মার্শালের নেতৃত্বে এই তদন্ত পরিচালিত হয়। অভিযানে ডেট্রয়েট পুলিশ বিভাগের বোম্ব স্কোয়াড, গার্ডেন সিটি পুলিশ বিভাগ এবং গার্ডেন সিটি ফায়ার ডিপার্টমেন্টও অংশ নেয়।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে LARA-এর পরিচালক মারলন ব্রাউন বলেন, “মিশিগানের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এই তদন্ত প্রমাণ করে, জননিরাপত্তা রক্ষায় বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত সহযোগিতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আতশবাজি সংক্রান্ত আইন কার্যকর করা এবং জনসাধারণের ঝুঁকি কমাতে স্টেট ফায়ার মার্শাল ও BFS-এর কার্যক্রমে LARA পূর্ণ সমর্থন দিয়ে যাবে।”
কর্তৃপক্ষ জানায়, জব্দ করা আতশবাজির মধ্যে অতিরিক্ত বিস্ফোরক উপাদানযুক্ত ডিভাইস এবং পেশাদার আতশবাজি প্রদর্শনীতে ব্যবহৃত বড় আকারের আতশবাজি, যেমন ১২ ইঞ্চি আকারের ‘এরিয়াল শেল’, অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব আতশবাজি শুধুমাত্র প্রশিক্ষিত ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত পেশাদারদের ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত।
কর্তৃপক্ষ জানায়, জব্দ করা সামগ্রীর মধ্যে প্রায় ১২ হাজার পাউন্ড ছিল অতিরিক্ত বিস্ফোরক উপাদানযুক্ত ডিভাইস, যেগুলোকে ভুলভাবে ‘১.৪জি’ (1.4G) বা সাধারণ ভোক্তাদের ব্যবহারের উপযোগী আতশবাজি হিসেবে লেবেল করা হয়েছিল।
এ ছাড়া আরও প্রায় ৫ হাজার পাউন্ড ছিল ফেডারেল আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ‘১.৩জি’ (1.3G) বা প্রদর্শনী-মানের আতশবাজি। এসব উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক শুধুমাত্র প্রশিক্ষিত ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত পেশাদারদের ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত। এগুলোর সংরক্ষণ, পরিবহন ও ব্যবহারেও কঠোর নিরাপত্তা বিধি অনুসরণ করতে হয়।
কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের বিস্ফোরক সামগ্রী যথাযথ নিয়ম না মেনে সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ বা ব্যবহার করা হলে অগ্নিকাণ্ড, গুরুতর আহত, প্রাণহানি এবং ব্যাপক সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির মতো ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
স্টেট ফায়ার মার্শাল টম হিউজ এক বিবৃতিতে বলেন, “এই পণ্যগুলো কখনোই সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়নি। অবৈধ আতশবাজি ও বিস্ফোরক সামগ্রী যথাযথ নিরাপত্তা বিধি অনুসরণ না করে সংরক্ষণ, পরিবহন বা ব্যবহার করলে তা জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে। বাজার থেকে এসব বিপজ্জনক পণ্য সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে সম্ভাব্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা ট্র্যাজেডি ঘটার আগেই তা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

সুপ্রভাত মিশিগান ডেস্ক :